
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে লেখা শুরু করতে আমার অনেক দেরী হয়ে যায়। দেরীর প্রধান কারণ আমার খুব মনে হতো তাঁকে নিয়ে সব লেখা হয়ে গেছে। ১৯৯৯-২০০০ সালের দিকে প্রথম যে প্রবন্ধ লিখি সেটা হলো ইংরেজি শেখানো নিয়ে তাঁর বিশেষ পদ্ধতি নিয়ে। ২০০৬-৭ সালের দিকে আবার অনুরুদ্ধ হলে লিখি কবির সাথে মহাভারতের সংযোগ নিয়ে।
২০১১ সালে কবির সার্ধশতবার্ষিকী আয়োজনকে সামনে রেখে মূর্ধন্য প্রকাশনী ১৫০টি গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিলে সম্পাদক কবি মনজুরে মওলার সাথে আমার সংযোগ ঘটে। ২০১০ সাল জুড়ে যে দুটি গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি তৈরি হয় সেগুলো আগের দুই প্রবন্ধের বর্ধিত রূপ।
কাজটি করতে গিয়ে ইন্টারনেটে বিপুল ঘটাঘাটির কারণে আরেকটি পাণ্ডুলিপি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সে-গ্রন্থ ‘রবীন্দ্রনাথ: কম-জানা, অজানা’ প্রকাশ করে গদ্যপদ্য নামের প্রকাশনী।
‘রবীন্দ্রনাথ: কম-জানা, অজানা’ নিয়ে অতীতে মূল্যবান রচনা লিখেছিলেন দুই বোদ্ধাজন – প্রবীরবিকাশ সরকার এবং জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ। তাঁরা দুজনেই অনেক বড়ো গবেষক ও লেখক। আমার শ্রদ্ধাভাজন।
এবার আমার জন্মদিনকে উপলক্ষ্য করে লিখলেন আমাদের প্রিয়জন অধ্যাপক ডাক্তার রেশমা মজুমদার শম্পা। শম্পা আপা একটা ভিডিও বার্তাতেও বইটি নিয়ে বলেছেন। তাঁর এই শুভেচ্ছাবার্তা আমাকে আনন্দিত করেছে।
অনেক প্রীতি জানবেন শম্পা আপা।
ইস্টইয়র্ক, টরন্টো, অন্টারিও