
কোভিড-১৯ কানাডার পোষ্য শিল্পে দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। কারণ, কেনেলগুলো খালি ও বাড়িতে বসে কাজ করা মালিকরা তাদের পোষ্যকে হাটালেও ভেটেরিনারি বা ভেট সেবার চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়।
ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলফের অন্টারিও ভেটেরিনারি কলেজের ভেটেরিনারি ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. স্কট উইসি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মালিকদের অনেকেই হতাশ। কারণ, আগে যেভাবে তারা যেভাবে সেবা পেতেন এখন তা পাচ্ছেন না। এছাড়া ভেটেরিনারিয়ানরাও তাদের পুরনো গ্রাহকদের নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে নতুন গ্রাহক নিতে পারছেন না।
ফোনে ও কার্বসাইড সেবা দিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন ভেটেরিনারিরা। উইসি বলেন, অনলাইন সেবার প্রাতিষ্ঠানিকতা এই চাপ আরও কমাতে পারে।
কারণ, রোগী পর্যবেক্ষণে এটা ভালো কাজে দেয় এবং আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের পরিবর্তে এটি কাজে লাগানো যেতে পারে।
এ ধরনের একটি সেবা হলো ভেটস্টার। সমগ্র উত্তর আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের নিবন্ধিত চিকিৎসকদের ২৪ ঘণ্টা অনলাইনে যুক্ত রাখার মধ্য দিয়ে পোষ্য মালিকদের দীর্ঘ অপেক্ষা থেকে মুক্তিতে সহায়তা করছে। মহামারি শুরু হওয়ার পর ভেস্টার চালু হয় এবং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বলে জানান সহ প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক বোরদো। তিনি বলেন, টেলিমেডিসিনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও পোষ্য গ্রহণের হার বৃদ্ধির মধ্যে সঠিক সংযোগ হচ্ছে এটা।
এই পদ্ধতিতে ভেটেরিনারিরা তাদের ফি ও প্রাপ্যতা নির্ধারণ করেন। এরপর পোষ্য মালিকরা তাদের পছন্দের চিকিৎসকটি বাছাই করতে পারেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবোটি বিশেষ জনপ্রিয়।