
ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে খালি গায়ে উন্মুক্ত স্তনের ছবি পোস্ট করলেই ‘কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড’-এর লঙ্ঘন হত এর আগে। তবে সেই নীতি বদল করল মেটা। মেটার অধীনে দুই জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই এবার থেকে উন্মুক্ত স্তনের ছবি আপলোড করা যাবে।
বিগত দশকে শুরু হওয়া ‘ফ্রি দ্য নিপল মুভমেন্ট’-এর কথা মাথায় রেখেই এই নীতি বদল করল মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই বিখ্যাত গায়িকা, অভিনেত্রী থেকে শুরু করে সমাজকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ফ্রি দ্য নিপল মুভমেন্টে’ অংশ নিচতে নিজেদের উন্মুক্ত স্তনের ছবি পোস্ট করে আসছেন। সেই আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিতেই মেটা-র এই পদক্ষেপ।
এর আগে ‘ফ্রি দ্য নিপল মুভমেন্টে’ অংশ নিয়ে বিখ্যাত পপ গায়িকা মাইলি সাইরাস নিজের উন্মুক্ত স্তনের ছবি পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরবর্তীকালে একই রকমের ছবি পোস্ট করেন মডেল বেলা হাদিদ। সেই ছবিগুলি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে কিম কারদাশিয়ান, রিহানার মতো অনেকেই যোগ দিয়েছেন এই আন্দোলনে। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ‘ফ্রি দ্য নিপল মুভমেন্টে’র সঙ্গে যুক্ত আন্দোলনকারীরা।
তবে মেটা-র এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম নিষিদ্ধ ঘোষণা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে, যেখানে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে হিজাব বিরোধী আন্দোলন চলছে, সেখানে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম দুটির এই নতুন নীতির জেরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠতে পারে।
সেখানে ইতিমধ্যেই হিজাবের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে জোরালো করতে সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নিয়েছেন অনেকেই। ফেসবুক লাইভে নিজেদের চুল কেটে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন নারীরা। ইনস্টাগ্রামে সরকার বিরোধী পোস্ট ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে।