
প্রদেশের সর্বনাম নীতি বহাল রাখতে এই হেমন্তেই সংবিধানের নটউইথস্ট্যান্ডিং ক্লজ ব্যবহার এবং আইন পাস করতে মরিয়া সাস্কেচুয়ান সরকার। প্রিমিয়ার স্কট মো এমনটাই জানিয়েছেন।
নীতিটি স্থগিতাদেশ চেয়ে করা একটি আবেদন একজন বিচারপতি গ্রহণ করার পর এই মন্তব্য করলেন তিনি। সর্বনাম নীতি অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু স্কুলে ভিন্ন কোনো নাম বা সর্বনাম গ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই বাবা-মায়ের সম্মতি নিতে হবে।
স্কট মো এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই আদেশের ফলে তিনি খুবই হতাশ। সাস্কেচুয়ানের সিংহভাগ নাগরিক ও বাবা-মায়ের এই নীতির প্রতি সমর্থন রয়েছে। শিশুদের তথ্য কখনোই বাবা-মায়ের কাছ থেকে গোপন রাখা উচিত। এটাই সাধারণ নিয়ম। ১০ অক্টোবর তিনি আইনসভার অধিবেশন আহ্বান করে নটউথস্ট্যান্ডিং ক্লজ ব্যবহার করবেন। এই ক্লজে সরকারকে পাঁচ বছরের জন্য চার্টারে উল্লেখিত কিছু অধিকার স্থগিতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে কোর্ট অব কিং’স বেঞ্চ জাস্টিস মাইকেল মেগো সাংবাদিক চ্যালেঞ্জ না শোনা পর্যন্ত ওই আদেশ দেন। নভেম্বরে এই চ্যালেঞ্জের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
৫৬ পৃষ্ঠার সিদ্ধান্তে মেগো লিখেছেন, এই কিশোরদের সুরক্ষঅ সরকারের আকাক্সক্ষাকে ছাপিয়ে গেছে। এই নীতির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানি এখনো বাকি রয়েছে।
ইউআর প্রাইডের আইনজীবীরা এই আদেশ চেয়েছিলেন। তাদের যুক্তি, এই নীতি শিশুদের লিঙ্গ সম্পর্কে শিক্ষকদের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে। সেই সঙ্গে এটি চার্টার অব রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমসেরও লঙ্ঘন।
সাস্কেচুয়ানের শিশুদের নিয়ে কাজ করা কর্মী লিসা ব্রোডাও বলেছেন, এটা লিঙ্গ পরিচয় ও মত প্রকাশেল স্বাধীনতার লঙ্ঘন।
ইউআর প্রাইডের লিড কাউন্সেল অ্যাডাম গোল্ডেনবার্গ এক ইমেইল বিবৃতিতে বলেছেন, স্কট মোর নটউইথস্ট্যান্ডিং ক্লজ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা খুবই দুঃখজনক।