
ছবি সংগৃহীত
বেলুচিস্তানে চীনা সেনা মোতায়েনের দাবি ভারতের, জঘন্য প্রচারণা দাবি পাকিস্তানের
স্ত্রীকে হত্যা করে মৃতদেহ স্যুটকেসে ভরে ভাড়া বাড়িতে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। দক্ষিণ বেঙ্গালুরুতে এই হত্যাকাণ্ডের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার পুনে থেকে গ্রেফতার করা হয় নিহতের স্বামীকে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়ার ওই ব্যক্তির নাম রাকেশ রাজেন্দ্র খেদেকার (৩৬)। তিনি একটি সফটওয়্যার ফার্মের প্রকল্প ব্যবস্থাপক। অন্যদিকে নিহত গৌরি অনিল সাম্ব্রেকার (৩২) গণমাধ্যমে স্নাতক ডিগ্রির পর চাকরির সন্ধানে ছিলেন। নিহতের একমাস আগে তারা হুলিমাভুর কাছে দোদ্দাকম্মানাহল্লিতে প্রথম তলার বাড়িতে উঠেন। ধারণা করা হচ্ছে এই দম্পতি মুম্বাই থেকে বেঙ্গালুরুতে চলে এসেছেন। তবে তারা কখন শহরে চলে এসেছেন তা এখনও জানতে পারেননি পুলিশ।
খুনের পর রাকেশ পলাতক ছিল এবং পুলিশ তাকে মহারাষ্ট্রে গাড়িতে করে পুনে যাওয়ার সময় গ্রেফতার করে। তাকে বেঙ্গালুরুতে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি জানিয়েছেন।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি প্রকাশ পায়। রাকেশ তার বাড়িওয়ালাকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে ফোন করে জানায়, আগের রাতে সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে এবং শহর (বেঙ্গালুরু) ছেড়ে চলে গেছে। সে মালিককে হত্যার বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করতে এবং তার পরিবারকে শেষকৃত্যের জন্য অনুরোধ করে।
হতবাক বাড়িওয়ালা ছুটে গিয়ে ঘরে ঢুকে দেখেন দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। তিনি হেল্পলাইন ১১২-তে খবর দেন এবং হুলিমাভু পুলিশ দরজা ভেঙে গৌরির মৃতদেহ একটি স্যুটকেসে ভর্তি অবস্থায় দেখতে পান।
রাকেশের মোবাইল এখনও চালু আছে জানতে পেরে, ডিসিপি (দক্ষিণ-পূর্ব) সারাহ ফাতিমা মহারাষ্ট্র পুলিশের সাথে সমন্বয় করেন। বেঙ্গালুরু পুলিশ সন্ধ্যায় পুনে পৌঁছায় এবং মহারাষ্ট্র পুলিশের সহায়তায় রাত ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে পুনের কাছে রাকেশকে আটক করে।