
করোভাইরাস মহামারি দেখা দেওয়ার পাঁচ বছর পর ভ্যাকসিন গ্রহণের হার কমেছে। এই অবস্থায় জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের কোভিড-১৯ বুস্টার ডোজ গ্রহণের আহŸান জানিয়েছেন সংকব্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা।
ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি অন ইমিউনাইজেশনের (এনএসিআই) নির্বাহী সচিব ম্যাথিউ টিউনিস বলেন, খোভিড-১৯ এর কারণে যারা গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তাদের অধিকাংশেরই সুরক্ষার প্রয়োজন। বাকিদের অধিকাংশের জন্যই এটা জরুরি নয়।
মাইক্রোবায়োলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিশেষজ্ঞ টিউনিস উল্লেখ করেন যে, আগাম উচ্চ হারে ভ্যাকসিনেশনের কারণে কানাডায় হাইব্রিড ইমিউনিটি ব্যাপক। অর্থাৎ, জনসংখ্যার বড় অংশ গুরুতর অসুস্থতা থেকে ভালোভাবেই সুরক্ষিত।
গত জানুয়ারিতে এএসিআই কোভিড-১৯ নীতিমালা প্রকাশ করে, য্ া২০২৬ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত কার্যকর বলে ধরা হয়েছে।
ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোভিড-১৯ এখনো মৌসুমি ধরন পায়নি এবং সারাবছরই তা বিদ্যমান থাকে বলে জানান টিউনিস। এই কারণের পাশাপাশি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার ছয় মাসের মাথায় প্রতিরোধ ক্ষমত কমতে শুরু করায় এনএসিএ সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের হলনাগাদ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ প্রতি বছর গ্রহণ করার জোরালো সুপারিশ করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৮০ বছর ও তার বেশি বয়সী, লং-টার্ম কেয়ার হোমের নিবাসী এবং প্রাপ্ত বয়স্ক ও ছয় মাসের বেশি বয়সী শিশু, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সীমিত।
এ ছাড়া যাদের বয়স ৬৫ থেকে ৭৯ বছর, গর্ভবতী নারী, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং যাদের আগে থেকেই স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে ও এরই মধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে বছরে এক ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার সুপারিশ করেছে এনএসিএ। এর বাইরে ব্যক্তি নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন তার বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কিনা। এই সিদ্ধান্ত তারা নেবেন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে।
This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.