
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপদেশ দেওয়ার ভূমিকার নিন্দায় ধারাবাহিক ‘টেসলা টেকডাউন’ বিক্ষোভে বেশ কিছু নগরীর মানুষ অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে অটোয়া ও ভ্যানকুভার।
এই বিক্ষোভ আয়োজনে সহায়তা করেছেন কানাডিয়ান-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিক জেন গ্যাগনন। তিনি বলেন, গত ফলে ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে মনে হচ্ছে তার শৈশবের বাড়ি পোড়া দেখার মতো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কানাডিয়ান পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করেছেন। এ ছাড়া বারবারই তিনি বলছেন যে, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হলে ভালো করবে।
গ্যাগনন বলেন, সম্ভব হলে তিনি আমেরিকান পণ্য ক্রয় এড়িয়ে চলছেন। কিন্তু ট্রাম্প, মাস্ক ও কানাডায় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আরও কিছু করা জরুরি বলে মনে হয়েছে তার। যতবারই আমি ভেবেছি ততবারই মনে হয়েছে এটা আরও খারাপ হতে পারে না। রোববার সমমনা মানুষদের জড়ো হওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার মনে হয়েছে।
১২ বছরের ছেলে সঙ্গে নিয়ে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন জুয়ান আলপেরিন। তিনি বলেন, তার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা মনে হয়েছে তার।
আলপেরিন সিমন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব কমিউনিকেশন, আর্ট অ্যান্ড টেকনোলজির একজন অধ্যাপক। তিনি বলেন, সুচিন্তিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের যে গণতন্ত্র তার অবনমন ঘটছে এবং কর্তৃত্ববাদের উত্থান ঘটছে।
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্ল্যাটফরম এক্সের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেসব প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে আমরা যোগাযোগ করি এবং একে অন্যের সঙ্গে কথা বলি তা ট্রেক অলিগার্কদের দ্বারা আরও বেশি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।
রোববারের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সারেতে উপস্থিত ছিলেন ভ্যানকুভারের বাসিন্দা অ্যান্ড্রু বালাকশিন। তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস এই বিলিয়নেয়ার উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের রাজনীতিতে এমনভাবে হস্তক্ষেপ করছেন যেমনাট হওয়া উচিত নয়।
এই বিক্ষোভের ব্যাপারে মন্তব্যে জন্য যোগাযোগ করা হলেও টেসলার মিডিয়া টিম তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।